ভারতরত্ন রাষ্ট্রপতি শ্রী প্রণব মুখোপাধ্যায় ।( "The man for all seasons".)
🙏ভারতরত্ন রাষ্ট্রপতি শ্রী প্রণব মুখোপাধ্যায় ।( "The man for all seasons".) Some interesting facts of Rashtrapati Pranab Mukherjee
✔প্রথম বাঙালি এবং দেশের ১৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে ২০১২ সালের ২৫শে জুলাই শপথ গ্রহণ করেন ।
✔ এর আগে তিনি ছিলেন ইউপিএ সরকারের অর্থমন্ত্রী । তিনি দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর ও পররাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়িত্বভারও সামলেছেন ।
🔷২০১৯ সালে ভারত সরকার তাঁকে দিয়েছিল ভারতরত্ন পুরস্কার।
✔প্রণব বাবুর জন্ম ১৯৩৫ সালের ১১ ডিসেম্বর পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার কীর্ণাহার শহরের নিকটস্থ মিরাটি গ্রামে।
✔তাঁর বাবা কামদাকিংকর মুখার্জি ছিলেন একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং কংগ্রেস নেতা।
✔প্রণব মুখোপাধ্যায় সিউড়ির বিদ্যাসাগর কলেজের ছাত্র ছিলেন; এই কলেজটি সেই সময়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ছিল। ইতিহাস এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এম.এ এবং এল.এল.বি. ডিগ্রি নিয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করেন ।
✔১৯৬৯ সালে তিনি প্রথম বার কংগ্রেস দলের প্রতিনিধিস্বরূপ রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন।
এরপর ১৯৭৫, ১৯৮১, ১৯৯৩ ও ১৯৯৯ সালেও তিনি রাজ্যসভায় নির্বাচিত হয়েছিলেন।
✔১৯৭৩ সালে কেন্দ্রীয় শিল্পোন্নয়ন উপমন্ত্রী হিসেবে তিনি প্রথম ক্যাবিনেটে যোগদান করেন।
🔷১৯৮২ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত তিনি ভারতের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
✔ ১৯৮৪ সালে ইউরোমানি পত্রিকার একটি সমীক্ষায় তাঁকে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ পাঁচ অর্থমন্ত্রীর মধ্যে অন্যতমের শিরোপা দেওয়া হয়।
🔷 প্রণব মুখোপাধ্যায় ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যুর পর ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গে মতবিরোধের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি "রাষ্ট্রীয় সমাজবাদী কংগ্রেস" নামে নিজস্ব একটি দলও গঠন করেছিলেন।
✔ তবে ১৯৮৯ সালে রাজীব গান্ধীর সঙ্গে মিটমাট করে নেওয়ার পর এই দল নিয়ে তিনি আবার কংগ্রেসে যোগ দেন।
✔১৯৯৭ সালে তিনি শ্রেষ্ঠ সাংসদ পুরস্কারে ভূষিত হন। ১৯৯৮ সালে তিনি জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হোন ।
🔷২০০৪ সালে তিনি প্রথমবার জঙ্গীপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে লোকসভায় নির্বাচিত হন।
✔২০০৬ সালে তিনি বিদেশ মন্ত্রী থাকাকালীন মার্কিন সরকারের সঙ্গে ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অসামরিক পরমাণু চুক্তি স্বাক্ষরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন ।
✔২০০৭ সালে তাঁকে ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান পদ্মবিভূষণ দ্বারা সম্মানিত করা হয়।
✔ রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন ইয়াকুব মেমন , আজমল কাসভ ও আফজল গুরুর মৃত্যুদন্ডর ব্যাপারে কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে দ্বিধাগ্রস্ত হোননি ।
✔২০১৬ সালে আইভরি কোস্ট তাঁকে সাম্মানিক নাগরিকত্ব প্রদান করে ।
✔তাঁর লিখিত গ্রন্থ গুলি হলো,
মিডটার্ম পোল,
বিয়ন্ড সারভাইভ্যাল,
এমার্জিং ডাইমেনশনস অফ ইন্ডিয়ান ইকোনমি,
অফ দ্য ট্র্যাক, সাগা অফ স্ট্রাগল অ্যান্ড স্যাক্রিফাইস,
চ্যালেঞ্জ বিফোর নেশন.


Comments
Post a Comment